তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২০, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নান্দাইলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান

নান্দাইলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান
[ভালুকা ডট কম : ০৪ মার্চ]
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের ১০৬ নং হাটশিরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান কার্যক্রম। দ্রুত এর ব্যবস্থা গ্রহন করা না হলে, যে কোন সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জীবনে ঘটে যেতে পারে অনাকাঙ্খিত দূর্ঘটনা।

সরজমিন ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে তিন শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের রয়েছে। তবে বিদ্যালয়টিতে ১৯৯৫ সনে একটি পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়। কিন্তু ভবন নির্মাণ কাজ নিন্মমানের হওয়ায় মাত্র ২৫ বৎসরের মধ্যেই বিদ্যালয় ভবনটির করুন অবস্থা দেখা দিয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে শঙ্কায় রয়েছেন। বর্তমানে ভবনের ছাদ, বিম ও দেওয়া থেকে পলেস্টার সহ ছাদের ঢালাইয়ের টুকুরো খসে পড়ছে। এতে করে ছাদ ও বিমের লোহার রড বেরিয়ে এসেছে। এছাড়া বৃষ্টি হলেই ভবনের ছাদ চুইয়ে পানি পড়ছে। তবু অত্র এলাকার শিক্ষার্থীদের একমাত্র শিক্ষার ভরসা স্থল এই বিদ্যালয়টিতে রীতিমত ভয়ে পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা। আবার অনেক অভিভাবক ঝুঁকিপুর্ণ ভবন আতংকে তাদের সন্তানকে স্কুলে পাঠাচ্ছেনা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাকের আহম্মেদ বলেন, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে পিইডিপি-৩ কর্তৃক ২ কক্ষ বিশিষ্ট একটি নতুন ভবন নির্মান করা হয়। এতে একটি অফিস কক্ষ ও একটি শ্রেণী কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়। তাতে করে শিক্ষার্থীদের জায়গা সংকুলান হয় না। ফলে নিরুপায় হয়ে জরাজীর্ণ ভবনেই শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। এ সকল বিষয়ে শিক্ষা অফিসকে একাধিকবার অবহিত করেও কোন সুফল পাওয়া যায়নি।

এছাড়া তিনি আরো জানান, বিদ্যালয়ের ৫০ শতাংশ জমি থাকলেও বি.আর.এস রেকর্ড হয়েছে ১৯ শতাংশ, দলিলে রয়েছে ২৩ শতাংশ। ফলে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বাঁধার কারনে বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা যায়নি। বিদ্যালয়ের সীমানায় ৮-১০টি বিশাল আকৃতির রেইনট্রি ও কাঠাল গাছ কেটে নিতে চাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার কবিতা নন্দি বলেন, জরাজীর্নতা এবং ভবন না থাকায় ছাত্র-ছাত্রী কমে যাচ্ছে। ভবন হলেই স্কুলের মান অনেক ভাল হতো এবং অনেক উন্নত দিকে নিতে পারতাম।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকি বলেন, জরাজীর্ণ যে সব ভবন আছে সে গুলির তালিকা করে নতুন ভবনের জন্য আবেদন পাঠানো হয়েছে। আশা করছি মুজিব বর্ষে বিদ্যালয়টিতে ভবন নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন হবে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

শিক্ষাঙ্গন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৩৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই