তারিখ : ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁয় খোলা বাজারে ৪৫ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি

নওগাঁয় খোলা বাজারে ৪৫ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি শুরু
[ভালুকা ডট কম : ০২ ডিসেম্বর]
পেঁয়াজের ঝাঁজের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দাম। পেঁয়াজ সংকটের অজুহাতে বেড়েছে দাম। ফলে পুরো দেশ যেন পেঁয়াজের আকাল পড়ে যায়। সংকট মোকাবেলায় সরকার দেশের বাহির থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হলেও তা পর্যাপ্ত ছিলনা। ফলে জেলা পর্যায়ে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) তে তালিকায় পেঁয়াজের নাম থাকলেও বাস্তবে ছিলনা। বলতে গেলে ‘কাজীর গরু কাগজে আছে, গোয়ালে নাই’ অবস্থা। তবে পেঁয়াজ আমদানি পরিমাণ বেশি থাকায় বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখতে নওগাঁয় খোলা বাজারে শুরু হয়েছে পেঁয়াজ বিক্রি।

রোববার বিকেলে শহরের মুক্তির মোড়ে ও কাঁচা বাজারে দুই জন ডিলারের মাধ্যমে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) খোলা বাজারে ৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়। নওগাঁ জেলা প্রশাসক মো: হারুন অর রশিদ ন্যায্য মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন ও পর্যবেক্ষন করেন। এসময় পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম সহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখতে খোলা বাজারে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে পেঁয়াজ বিক্রি। দুইজন ডিলারের মাধ্যমে প্রতিদিন শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চার টন পেঁয়াজ বিক্রি হবে। প্রতিজন ক্রেতা ৪৫ টাকা কেজি দরে এক কেজি করে চার হাজার জন পেঁয়াজ পাবেন। শহরের মুক্তির মোড়ে বিকেলে টিসিবি’র ডিলারের পেঁয়াজের ট্রাক পৌছার পর মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। বিক্রিয়ের কার্যক্রমের উদ্বোধনের পর মানুষ পেঁয়াজ কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। চলে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত।

বর্তমানে বাজারে পেঁয়াজের দাম ২০০ টাকার উপর। আর পাতা পেয়াজের দাম ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত। হঠাৎ করে পেঁয়াজের বাজার বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে। এ অস্বাভাবিক দামের কারণে অনেকেই পেঁয়াজ কেনা ছেড়েই দিয়েছেন। তবে টিসিবি থেকে পেঁয়াজ দেয়া শুরু করায় স্বস্থি ফিরে এসেছে সাধারনদের মাঝে। যেহেতু খোলা বাজারে এখনো দাম অস্বাভাবিক। তাই টিসিবি’র পেঁয়াজ যেন কালো বাজারে যেতে না পারে সেদিকে নজরদারী বাড়ানোর দাবী সচেতনদের।

টিসিবি’র ডিলার শ্যামল চন্দ্র বলেন, তিনি শহরের মুক্তির মোড়ে ৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। পেঁয়াজের চাহিদা ব্যাপক থাকায় পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। যেহেতু রাজশাহী থেকে আমাদের পেঁয়াজ উত্তোলন করতে হয়। যদি নিয়মিত পেঁয়াজ পাওয়া যায় তাহলে নিয়মিত বিক্রি করতে পারবো।

তিনি বলেন, টিসিবি থেকে যে পেঁয়াজ দেয়া হচ্ছে সেগুলো মিশর থেকে আমদানি করা হয়েছে যা অনেকটা ভেঁজা। যদি এসব পেঁয়াজ পঁচে যায় তাহলে ক্রেতারা কিনতে চাইবে না।এতে করে আমাদের লোকসান গুনতে হবে। আর লোকসান হলে তো আমরা পেঁয়াজ নিয়ে আসবো না।

নওগাঁ জেলা প্রশাসক মো: হারুন অর রশিদ বলেন, পেঁয়াজ সংকটের কারণে এতোদিন টিসিবি থেকে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ৪৫ টাকা কেজি দরে প্রতিদিন দুইজন ডিলারের মাধ্যমে চার টন করে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে। আমদানি বেশি হওয়ায় এবং বাজার নিয়ন্ত্রনের মধ্যে নিয়ে আসতে টিসিবি জেলা পর্যায়ে খোলা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করা হয়েছে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকার বাইরে বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২৬ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই