তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

মিরপুরে চলন্তিকা বস্তিতে আগুন,দুই হাজারের বেশি ঘর পুড়ে ছাই

মিরপুরে চলন্তিকা বস্তিতে আগুন,দুই হাজারের বেশি ঘর পুড়ে ছাই
[ভালুকা ডট কম : ১৭ আগস্ট]
রাজধানীর ঢাকার মিরপুর ৭ নম্বরের চলন্তিকা বস্তিতে আগুন লেগে দুই হাজারের বেশি ঘর পুড়ে গেছে। সর্বস্ব পুড়ে যাওয়ায় বস্তিবাসীদের অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রূপনগর থানার পেছনে চলন্তিকা মোড়ের ঝিলপাড় বস্তিতে আগুন লাগে।

সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। আগুনের ব্যাপকতা দেখে পরে আরও ইউনিট বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত ২৪টি ইউনিট কাজ করে র‍্যাব, পুলিশ, ওয়াসা ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় আহত চারজনের মধ্যে তিনজনের নাম জানা গেছে। তাঁরা হলেন: রফিক, কবির (৩৫) ও হাবীব (১৯)।

আগুনের খবর পেয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও স্থানীয় সাংসদ ইলিয়াস মোল্যা ঘটনাস্থলে যান। তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সহায়তা আশ্বাস দেন। মেয়র বলেন,মিরপুর-৭ নম্বর বস্তিতে যারা বসবাস করতেন রাতে থাকার জন্য আশেপাশের যত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে সবগুলো খুলে দেওয়া হবে। আগুনে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের খাবারের ব্যবস্থা হচ্ছে। রাতের মধ্যে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে। যারা আগুনে আহত হয়েছে তাদের সবাইকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুর্নবাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, চলন্তিকা বস্তিতে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণের পর কমিটির পুরো ফর্মেশন ঠিক করা হবে। আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে তদন্তের পর। শুক্রবার রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অরুণ কান্তি শিকদার একথা বলেন।

আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য দিতে পারেননি। তবে বস্তির কয়েকজন বাসিন্দা বলেছেন, অবৈধ গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগ নেয়া হয়েছিল বস্তিতে। বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে আগুন লেগে অরক্ষিত গ্যাসের সংযোগের সংস্পর্শে গিয়ে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে তাদের ধারণা।

বস্তিটিতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বসবাস করতেন বলে এলাকাবাসীর ধারণা। এখানকার বাসিন্দাদের বেশিরভাগই পোশাককর্মী, যারা ঈদের ছুটিতে গ্রামের ছিলেন। লোকজন কম থাকায় হতাহতের পরিমাণ কম হয়েছে। #





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

জীবন যাত্রা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৮৯ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই