তারিখ : ২০ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

মান্দায় শিশুদের জন্য নির্মিত হয়েছে মিনি শিশু পার্ক

মান্দায় ভারশোঁ ইউনিয়ন পরিষদে শিশুদের জন্য নির্মিত হয়েছে মিনি শিশু পার্ক
[ভালুকা ডট কম : ২৩ অক্টোবর]
নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা অংশে নির্মিত হয়েছে মিনি শিশু পার্ক। মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্র্শে এবং ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ১৫ শতাংশ জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে শিশুদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র এই পার্কটি।যা ইতিমধ্যেই শিশুদের বিনোদনের কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠেছে। এখানে রয়েছে দোলনা, স্লিপার, ঘুড়নী, পানির ফোয়ারা, অভিভাবকদের বসার জন্য রয়েছে একটি বিশ্রাম কক্ষ। শিশুদের মন ভালো করার জন্য আরো রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির বাহারী ফুলের গাছ।

সরকারি ছুটিরদিন ব্যতিত প্রতিদিনই সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকে শিশু পার্কটি। ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের সীমানা প্রাচীরের ভিতরেই পার্কটির অবস্থান। এখানে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বিনোদনের জন্য নিয়ে আসে। প্রত্যান্ত গ্রাম অঞ্চলে এমন পার্ক পেয়ে খুশি এখানকার অভিভাবকরা।

পার্কে বেড়াতে আসা বিউটি নামের এক অবিভাবক বলেন, আগে আমরা জেলা শহর ও তার আশেপাশের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে আমাদের সন্তানদের বেড়াতে নিয়ে যেতাম। এখন বাড়ীর কাছে পার্ক হওয়ায় সময় পেলেই সন্তানদের এখানে নিয়ে আসি। এতে করে শিশুদেরও অনেক ভালো লাগে। আর নওগাঁয় যেতে হয় না।

আলতাফ হোসেন নামের আর একজন অভিভাবক বলেন, এখানে বাচ্চাদের খেলার সামগ্রী এবং ফুলের বাগান থাকায় ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলা করতে পারে, কান্নাকাটি করে না এবং আমাদের বসার ব্যবস্থা থাকায় আমাদের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে প্রায় এই পার্কে বেড়াতে নিয়ে আসি। এই কাজটি যারা করেছে তাদের সবাইকে জানাই আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

ভারশোঁ হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ এসএম আব্দুস সালাম বলেন, বর্তমান ডিজিটাল সময়ে এসে শিশুদের জন্য খেলার মাঠ ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে। আর ভারশোঁ ইউনিয়ন পরিষদে এই পার্কটি  আমার জানামতে দেশের গ্রামীন জনপদে এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে এই প্রথম। এখানে স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসা থাকায় এখানে ছোট ছেলে-মেয়েরা প্রত্যেক দিন সকাল-বিকেলে এসে খেলাধুলা করে থাকে। যা তাদের মানুষিক বিকাশে ভ’মিকা রাখছে।

ভারশোঁ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন বলেন, মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শে এলজিএসপি প্রকল্প ও পরিষদের নিজস্ব অর্থে ৩টি দোলনা, ২টি স্লিপার, ৪আসনের একটি ঘুড়নী স্থাপনের পাশাপাশি নির্মাণ করা হয়েছে একটি পানির ফোয়ারা। এতে আমাদের খরচ হয়েছে লক্ষাধিক টাকা। আগামীতে অর্থসহায়তা পেলে এই পার্কটির উন্নয়নের পাশাপাশি একটি লাইব্রেরী স্থাপনের পরিকল্পনাও আমাদের রয়েছে।

মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মুসফিকুর রহিম বলেন, এধরনের সুযোগ সুবিধা সাধারনত শহরের ছেলে-মেয়েরাই পেয়ে থাকে। ভারশোঁ ইউনিয়ন পরিষদে সীমানা প্রাচীর থাকায় সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠির শিশুদের কথা চিন্তা করে চোরম্যানকে এই কনসেপ্ট (ধারনা) দিয়েছি। তিনি আরো বলেন, এখানকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, বিনোদন এবং শিশুদের দৈহিক ও মানষিক বিকাশের কথা বিবেচনা করে ইউপি চেয়ারম্যানকে একটি মিনি শিশু পার্ক এবং একটি লাইব্রেরী তৈরী করার পরামর্শ দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে মান্দা উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদের যেখানে সীমানা প্রাচীর আছে সেখানেও মিনি শিশু পার্ক তৈরীর চেষ্টা করবো।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

বিনোদন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৯ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই