তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

সন্তানকে বাঁচাতে বাবার করুণ আর্তনাদ

সন্তানকে বাঁচাতে বাবার করুণ আর্তনাদ
[ভালুকা ডট কম : ০২ অক্টোবর]
আহনাফ আলী। বয়স ১বছর ৩মাস। এ সময়টায় প্রতিটি সন্তান তার মার বুকে ঘুমায় কিন্তূ আমার সন্তান ঘুমাচ্ছে হাসপাতালের বেডে। এ সময়টায় বাচ্চাদের হেসে খেলে থাকার সময় কিন্তূ আমার বাচ্চা যুদ্ধ করছে মৃত্যুর সাথে। প্রতিটা মুহূর্তে তাকে লড়াই করতে হচ্ছে বেচে থাকার জন্যে। নিজের চোখের সামনে আর পারছিনা তার কষ্ট সহ্য করতে। ‘আহনাফকে আর হয়তো বাঁচাতে পারবো কি না বুঝতে পারছি না। ডাক্তার বলছে ২-৩ সপ্তাহ কেমোথেরাপি দিয়ে দেখবে। যদি টিউমারটা ছোট হয় তাহলে সার্জারি ডাক্তারের কাছে পাঠাবে। সে যদি মনে করে তাহলে সার্জারি করবে। এরপর আবার কেমোথেরাপি দিবে। ওর চিকিৎসার জন্য ৮-১০ লাখ টাকা লাগবে। আর চিৎকিসা করতে ৬-৭ মাস লাগবে। এত টাকা কোথায় পাব, এখনই ২ লাখ রুপী খরচ হয়ে গেছে।’ বাংলাদেশ অ-১৪ এবং অ-১৬ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক ফুটবলার মোজাফফর হোসেন বাবুর এক করুণ ফেসবুক স্ট্যাটাস এটি।

সোমবার আহনাফের পিতা ফুটবলার বাবুর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, ১৫ মাস বয়সী তার একমাত্র সন্তান ছেলে আহনাফ আলি তামজিদের প্রাণ এখন জটিল সীমারেখার মাঝ-বরাবর। মায়াবী, ফুটফুটে এই শিশুটির এই বয়সে সবার আদরে লালিত হয়ে হেসে-খেলে কাটিয়ে দেয়ার কথা। কিন্তু তার পেটের বামপাশে কিডনির ওপরে একটা টিউমার জন্ম নিয়েছে, যেটি মরণব্যাধি ক্যান্সারে রূপ নিয়েছে এবং এটি কিডনিতেও ছড়িয়ে পড়েছে। গত ১৭ মে এ নিয়ে দৈনিক জনকণ্ঠের খেলায় পাতায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। সেটি পড়ে এক সহৃদয়বান অনেকেই বাবুকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন। প্রায় আড়াই লাখ টাকা নিয়ে বাবু দ্রুত ছেলের পাসপোর্ট করিয়ে ভারতের চেন্নাইয়ের এ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যান। যেখানে বর্তমানে আহনাফের চিকিৎসা চলছে। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল চিকিৎসায় প্রায় ৪/৫ লাখ টাকা লাগতে পারে। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো সেখানকার ডাক্তাররা সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানিয়েছেন এই শিশুটিকে বাঁচাতে আনুমানিক ৮-১০ লাখ টাকা লাগবে। শিশুটিকে ৫টি কেমোথেরাপি দিতে হবে। প্রতিটি কেমোতে ১০ হাজার রুপী করে মোট ৫০ হাজার রুপী লাগবে। ডাক্তাররা দুটি অপশন দিয়েছেন। হয় ৮-১০ লাখ টাকায় ৫টি কেমোথেরাপি এবং অপারেশন করা যাবে। অথবা ৫ লাখ টাকায় আপাতত অপারেশনটা করে বাকি কেমোগুলো বাংলাদেশে এসেও দিতে পারবে।

কিন্তু এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয় পাঠাও লিমিটেডের মাঠ কর্মকর্তা হিসেবে স্বল্প বেতনে চাকরি করা সাভার বিকেএসপির সাবেক শিক্ষার্থী বাবুর পক্ষে। বাংলাদেশে অবস্থানরত আহনাফের এক আন্টি ফোন দিয়ে বাবুকে বলেছেন,আমাদের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়, তুই দেশে চলে আয় আহনাফকে নিয়ে। তখন বাবুর কণ্ঠে আর্তনাদ,তাহলে আমার আহনাফের জন্য বাংলাদেশে কবরটা খুঁড়ে রাখ। একটা জীবন কী টাকার অভাবে এভাবে হেরে যাবে? সমাজের বিত্তবান-হৃদয়বানরা কি পারেন না আহনাফের জীবন বাঁচাতে সবাই একত্রিত হয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে? আসুন আমরা সবাই বাবুর পাশে দাঁড়াই। ছোট্ট শিশু আহনাফের চিকিৎসার জন্য সবাই হাত বাড়িয়ে দেই। সবার প্রচেষ্টা-উদ্যোগই বাঁচিয়ে দিতে পারে আহনাফের জীবন।

আহানাফকে বাঁচাতে অর্থ সাহায্যের আবেদন ॥ বিকাশ নম্বর : বাবু (০১৮২৫৬৪৪৫৫০ এবং ০১৭৪৮২৩৬৬৮৭), জিয়াউদ্দিন (০১৮১৯৮৬৭৯৪৪), জিকু চৌধুরী (০১৯১৪২২৭৬৫০), মাজহারুল ইসলাম জুবেল (০১৮১২৭৪৭০০৬); ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নম্বর- ডাচ্ বাংলা ব্যাংক, জিয়াউদ্দিন, একাউন্ট নম্বর : ১০২.১০১.৬০৬১২, আগ্রাবাদ শাখা, চট্টগ্রাম।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

পাঠক মতামত বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই