তারিখ : ২০ আগস্ট ২০১৮, সোমবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

শ্রাবণেও বৃষ্টি নেই পুড়ছে পোরশার আমনের মাঠ

শ্রাবণেও বৃষ্টি নেই পুড়ছে পোরশার আমনের মাঠ
[ভালুকা ডট কম : ২১ জুলাই]
আষাঢ় শেষ। শ্রাবণের প্রথমেও বৃষ্টি নেই। অনাবৃষ্টিতে পুড়ছে নওগাঁর পোরশা উপজেলার আমনের মাঠ। পুকুর বা খালের পানি দিয়ে কোন রকম চাষাবাদ করছে কৃষকরা। সময়মত বৃষ্টি না হলে পানি সংকটের কারণে আমন ক্ষেত হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। বৃষ্টি না হওয়ায় ঠাঁ ঠাঁ বরেন্দ্র অঞ্চল খ্যাত এই উপজেলার আবাদি জমির মাঠ ধু-ধু সাদা হয়ে পড়ে রয়েছে।

পুকুরের সামান্য পানি সেচের মাধ্যমে বীজতলায় বীজ বপন করলেও সে চারা দিয়ে সামান্য পরিমান জমিতে রোপন করা যাচ্ছে। ফলে আমন উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা ব্যহত হওয়ার আশংকা রয়েছে। উপজেলার ছাওড়, তেঁতুলিয়া, গাঙ্গুরিয়া, নিতপুর ও ঘটনগর ইউনিয়নের অনেক গ্রামের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে এই চিত্র। এছাড়াও বৃষ্টির অভাবে অনাবাদি রয়েছে অনেক জমি। এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য মশিদপুর ও ঘাটনগর এলাকার কৃষকগণ ডিপটিউবয়েল থেকে সেচ কার্যক্রম চালিয়ে ধান রোপন করছে। ওই এলাকার কৃষকেরা প্রতি বিঘা জমিতে ৩০০-৪০০টাকায় পানি সেচের মাধ্যমে ধান লাগাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

এছাড়া উপজেলার বাঁকইল গ্রামের কৃষক আতাউর রহমান, ছাওড় গ্রামের আইয়ুব আলী, জালুয়া গ্রামের জসিম উদ্দিন, গোপালপুরের নুর হোসেন, কালিনগরের মাহবুর রহমান ও সরাইগাছি গ্রামের কাজি আব্দুল মান্নান জানান, আমাদের এলাকায় গভির নলকূপ না থাকায় বৃষ্টির পানি ও সেচ সংকটের কারণে আমনের ক্ষেত ফেটে যাচ্ছে। আষাঢ় শেষ হয়ে গেলেও জমিতে আমরা ধান লাগাতে পারেনি। এছাড়াও পানির অভাবে রোপিত চারা পরিপক্ক হচ্ছেনা। আমাদের বৃষ্টির পানির জন্যই অপেক্ষা করতে হয়।

বৃষ্টি না হয়ে এভাব চলতে থাকলে বৃষ্টির অভাবে আমরা বরেন্দ্র এলাকার কৃষকেরা ধান লাগাতে পারবো না। ফলে আমাদের উপজেলায় ধান উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা অর্জন নাও হতে পারে। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজ আলমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১৬হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান উৎপাদন লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। এপর্যন্ত উপজেলার কিছু এলাকায় বৃষ্টি হওয়ায় প্রায় ১৬.৬শতাংশ জমিতে ধান লাগানো সম্ভব হয়েছে। তবে প্রাকৃতিক কারনে অনাবৃষ্টি হলে লক্ষমাত্রা অর্জিত নাও হতে পারে।

অপরদিকে বিএমডিএ পোরশা জোনের সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম ইসলাম জানান, অনাবৃষ্টির কারনে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আমাদের ২৫২টি গভির নলকূপ চালু রয়েছে। এগুলো অধিনে প্রায় ৬/৭হাজার হেক্টর জমি রয়েছে। এর মধ্যে গভির নলকূপ থেকে এব্ং বিএমডিএ কতৃক খননকৃত ক্রসড্যামের বাঁধ ও খাড়িতে আটকানো পানি দিয়ে কৃষকেরা এ পর্যন্ত প্রায় ১হাজার ২০০ হেক্টর জমি চাষাবাদ করেছে। বাঁকি জমিও চাষাবাদ হবে বলে তিনি আশা করছেন। তবে তিনি বৃষ্টি নির্ভর ছাওড়, তেঁতুলিয়া ও গাঙ্গুরিয়া ইউনিয়নে অনাবৃষ্টির কারনে চাষাবাদ ব্যহত হওয়ার আশংকা প্রকাশ করেন।






সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫২৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই